বিএইচআরপিসি বাংলা

এই পাতায় মানবাধিকার নীতি, আইন ও আসামে মানবাধিকার পরিস্থিতির উপর বাংলা লেখা প্রকাশিত হবে।


করোনা, লকডাউন ও গ্রাম বরাকের ছবি –০১

আমদের রাষ্ট্রব্যবস্থায় জড়িত ব্যক্তিরাও এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত নয়। এখন প্রয়োজন সব বিলাসিতা ত্যাগ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে খরচ করা। ক্ষুধার্তদের মুখে অন্নের যোগান দেওয়া জরুরি। ঘরে বসেই যেন রোজগার করা যায়, অর্থব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার জন্য এই পরিকাঠামো তৈরিতে জোর দিতে হবে। ছাত্র-ছাত্রীরা যেন মানসিকভাবে সুস্থ থাকে আর তাদের শিক্ষা যেন ব্যাহত না হয় সে ব্যবস্থা করতে যা খরচ হয়, করতে হবে। লিখেছেন সাদিক মোহাম্মদ লস্কর ।  (পুরো প্রবন্ধ এখানে দেখুন।)

করোনা, লকডাউন ও গ্রাম বরাকের ছবি –২

এখন হবে কী? তাসের ঘরের মত নিচের তলা থেকে ধীরে ধীরে ধসে পড়বে আমাদের অর্থব্যবস্থা। অনেক কিছুই আর আগের মতো ফিরে আসতে পারবে না। বহুদিন রাস্তায় চলবে না যাত্রীবাহী গাড়ি। মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হয়ে পড়বে। ঘৃণা এই আছিলায় ছড়িয়ে পড়বে গ্রামে গঞ্জে। বহু মানুষ একঘরে হয়ে যাবেন সতর্কতার অজুহাতে। অস্পৃশ্যতা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। এই সব কিছুর জন্যে প্রস্তুত থাকতে হবে সবাইকে। লিখেছেন সাদিক মোহাম্মদ লস্কর ।  (পুরো প্রবন্ধ এখানে দেখুন।)

করোনা, লকডাউন ও গ্রাম বরাকের ছবি –৩

যারা কৃষির সঙ্গে মোটেই পরিচিত নয় তারা এখন এক বিপন্ন প্রজাতির মত। এদের কথা আলাদা করে ভাবতে হবে। স্বল্পকালীন ব্যবস্থাপনা হিসেবে এদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবসা করার সুযোগ করে দিতে হবে। এছাড়াও এদের বড় অংশ যেহেতু শিক্ষিত তাই তাদের দক্ষ শ্রমিক, উদ্যোগী বা ব্যবস্থাপক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। (পুরো প্রবন্ধ এখানে দেখুন।)

করোনা, লক ডাউন ও গ্রাম বরাকের ছবি– ৪

ভেবেছিলাম এইবার বোধ হয় নড়েচড়ে বসবে সরকার। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ইত্যাদিতে জোর দেবে। কিন্তু কই? সরকারি স্কুলের অনুদান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যেসব নির্মাণ কাজ অর্ধসমাপ্ত ছিল সেগুলোও অনির্দিষ্ট কালের জন্য আটকে রইল। পড়ুয়াদের কষ্ট বেড়েই গেলো। ক্রমশ সংকোচিত হয়ে আসা কর্মসংস্থান হঠাৎ যেন চুপসে গেল। ফলে যুবসমাজের হতাশা মারাত্মক রূপ নিতে পারে। এখন সরকারের উচিত সামরিক বা অন্যান্য কম প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ইত্যাদি খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা। কর্পোরেটদের ঋণ মকুব না করে বাড়তি কর চাপানো। (পুরো প্রবন্ধ এখানে দেখুন।)

করোনাভাইরাসকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেয়া হচ্ছে আসামে!

আসামের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের সদস্য কমল কুমার গুপ্ত রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে এক চিঠি লিখে বলেছেন যে মার্চের মাঝামাঝি সময় এ রাজ্য থেকে যারা দিল্লির তাবলিগ জামাতের সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন, তারা ‘জিহাদি’ (অর্থাৎ সন্ত্রাসী), আর এ কারণে তাদের কোভিড-১৯ সংক্রমণের চিকিৎসা করা উচিত নয়। এতে প্রশ্ন উঠছে আসামে করোনাভাইরাসকে কি সাম্প্রদায়িক রূপ দেয়া হচ্ছে? লিখেছেন প্রবীর প্রামানিক। (বাকীটা এখানে দেখুন)।

কোভিড-১৯: আমাদের কী করণীয়?

আমাদের এই মুহূর্তেই কিছু করা দরকার। আমরা কেবলমাত্র একটি ভাইরাসের বিরুদ্ধেই লড়ছি না — মহামারি নিজেই একটি ‘প্যাকেজ’। এর মধ্যে নিজেদের সৃষ্টি করা বা বাড়িয়ে তোলা অর্থনৈতিক দুর্গতি এমন এক উপাদান যা আমাদের চরম দুর্দশা থেকে একেবারে সর্বনাশের দিকে নিয়ে যেতে পারে। লিখেছেন  পি সাইনাথ।  (পুরো প্রবন্ধ এখানে দেখুন।)

গোহত্যা জনিত হিংসা এবং প্রস্তাবিত মানব সুরক্ষা আইন

১লা জুলাই ২০১৭, আলিগড় রেলওয়ে স্টেশনে একজন বোরখা পরিহিত মহিলার সন্দেহজনক ব্যবহার দেখে পুলিশ তাকে আটক করে। কিন্তু দেখা যায় বোরখার আড়ালে আসলে একজন পুরুষ ছিলেন। পেশায় ইঞ্জিনিয়র মোঃ নজমুল হাসান। বয়স ৪২বছর। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ২২ জুন বল্লবগড়ে একজন মুসলিম যুবকের মব-লিঞ্চিং এর পর থেকে তিনি ভয়ে ভয়ে আছেন। তাছাড়া তিনি নিজেও অতীতে ট্রেনে অপব্যবহারের শিকার হয়েছেন। তিনি ভেবেছিলেন যে কোনো মহিলা যাত্রীকে কেউ সহজে উত্যক্ত করবে না। তাই তিনি এই পদক্ষেপ নেন। ভারতীয় ভীড়তন্ত্র বা মবক্রেসিতে আপনাকে স্বাগত জানাই।  লিখেছেন তানিয়া লস্কর। (পুরো প্রবন্ধ এখানে দেখুন।)

অধ্যাপক তপোধীর ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও তাঁর হেনস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

ড০ তপোধীর ভট্টাচার্যের নিবন্ধ “অসমে বাঙালির শরশয্যা” নিয়ে উদ্ভব হওয়া অগণতান্ত্রিক বিতর্কের অবসান চেয়ে গণতন্ত্রপ্রিয় সংগঠন এবং সাধারণ মানুষের যৌথ বিবৃতি। (পুরো বিবৃতি এখানে দেখুন।)

নাগরিকত্ব বিলে বিএইচআরপিসি সংবিধান ও মানবাধিকার সম্মত সংশোধনী চায়

গত ৯ মে ২০১৮ তারিখে বরাক হিউমেন রাইটস প্রটোকশন কমিটি  কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে সফররত জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটির কাছে নাগরিকত্ব বিল নিয়ে স্মারকপত্র প্রদান করে। বিএইচআরপিসি মনে করে যে পার্শ্ববর্তী দেশের নির্যাতিত মানুষদের নাগরিকত্ব প্রদান করার সিদ্ধান্ত একটি অত্যন্ত মহান এবং মানবিক কাজ। কিন্তু সেইসঙ্গে বিএইচআরপিসি এটাও মনে করে যে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিধেয়ক এর বর্তমান খসড়াটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং ভারতীয় সংবিধানের নিরিখে মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি আইন পরিণত হলে উচ্চতম ন্যায়ালয়ের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। সুতরাং বিএইচআরপিসি এই বিলে কয়েকটা সংশোধনি আনার পরামর্শ দেয়। (পরবর্তী অংশ এখানে দেখুন।)

হাইলাকান্দিতে সংঘটিত ধর্ষণ এবং তৎপরবর্তী সাম্প্রদায়িক রাজনীতির নিন্দা  (এখানে দেখুন।)

কীটনাশক থায়োমেট-এর অপব্যবহারে বিকলাঙ্গ শিশু জন্মাচ্ছে কাছাড়ের ভুবন ভ্যালি চা বাগানে (পুরো প্রবন্ধ এখানে দেখুন।)

মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র​


%d bloggers like this: